
বীরগঞ্জ সংবাদাতা ॥ বীরগঞ্জে রোজার মাসকে পুঁজি করে বেড়েছে তরমুজ, কলাসহ বিভিন্ন নিত্যপণের দাম। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে কলা বিক্রেয় হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে সেই কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হালি।
অন্যদিকে তরমুজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। দু’দিনের ব্যবধানে তরমুজের দাম কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। বীরগঞ্জ পৌরশহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, গত বছর যে তরমুজ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল সেই তরমুজ এবার বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। তাজ মহল সিনেমা হলের সামনে মহাসড়কের পাশে ছোট ছোট অপরিপক্ব তরমুজ ৩৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এতে করে সাধারণ রোজাদার ব্যক্তিরা পড়েছে বিপাকে।’
বিক্রেতারা বলছেন, রোজায় তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু লকডাউনের কারণে সেই পরিমাণ তরমুজ আসছে না। ফলে চাহিদার তুলনায় ফলন কম থাকায় দাম বেড়েছে। ক্রেতারা বলছেন, রোজা রাখার পর প্রচুর পানির দরকার হয়। তরমুজ খেলে শরীর ঠাণ্ডা হয়। পানির পিপাসাও কমে। তাই তরমুজ খাওয়া ভাল। কিন্তু মৌসুমি ফল হওয়ার পরেও কেজিপ্রতি তরমুজের দাম অনেক বেশি।
তারা বলেন, বিশ্বের সব দেশেই রমজান মাসে পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। যাতে রোজাদাররা ভালোভাবে রোজা পালন করতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশে উল্টো। রোজার আগের দাম কম থাকলেও রোজা আসতে না আসতেই পণ্যের দাম বাড়ায়। পৌরশহরের বিজয় চত্বরের তরমুজ ব্যবসায়ী হালিম ও তাজমহল মোড়ের হাসেম জানান, গত সোমবার তরমুজ বিক্রি করেছি ৪০ টাকা কেজি। আজকে কেনাই পড়েছে ৫০ টাকা। আর এই তরমুজই ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।