
বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি.
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কৃতি সন্তান মেসবাহুল ইসলাম সচিব থেকে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন।
রোববার (৩১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (০২ ফেব্রুয়ারি) থেকে মো. মেসবাহুল ইসলামের এই পদোন্নতির আদেশ কার্যকর হবে। তাঁর পদোন্নতির ফলে প্রশাসনে সিনিয়র সচিবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৩ জনে।
উল্লেখ্য, মো: মেসবাহুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ০১নং আজিমপুর ইউপি’র ভাবকি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মো: তানজিমুল ইসলাম ও মাতার নাম মাহমুদা বেগম। তাঁর পিতা গাইবান্ধা কলেজে অধ্যাপনা করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক।
মো: মেসবাহুল ইসলাম কৃষি অর্থনীতিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক (সম্মান) এবং একই বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
তিনি ১৯৮৫ সালের বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসন ক্যাডারে ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৮ সালে যোগদান করেন।
চাকুরী জীবনে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে সুনামের সাথে কাজ করেছেন। তার প্রথম পদায়ন হয় যশোর কালেক্টরেটে। পরবর্তীতে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলায়, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বগুড়া ও রংপুর জেলায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় এবং জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় যোগ্যতার সাথে কাজ করেছেন। পরে তিনি ঝিনাইদহ জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে এবং ২০০৮ সালে ভোলা জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে সুনাের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০১২ সালে তিনি যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমীতে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালের মে, তিনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।
ডিসেম্বর, ২০১৫ হতে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পর্যন্ত তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে প্রধান নির্বাহী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সেখান থেকেই তিনি গত ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে যোগদান করেন। ২৪ জুলাই ২০১৯ তারিখে একই মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
গত ১৫ অক্টোবর ২০২০ তারিখে সচিব হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও রাষ্ট্রীয় কাজে তিনি থাইল্যান্ড, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, নেদারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ইত্যাদি দেশ সফর করেন।