
স্টাফ রিপোর্টার ॥ দিনাজপুরে খাওয়ার অনুপোযোগী চাল পালিশ করে ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করার অপরাধে এ. কে. দাস নামে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার এ.এইচ.এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী গতকাল রোববার করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন হাট-বাজারে পরিদর্শন করেন। এসময় রেল বাজার হাট সংলগ্ন মেসার্স আদর্শ চাউল ঘর এর মিলে জনগণের ব্যবহারের অনুপযোগী পোঁকা ধরা ও স্যাতসেতে চাউল পালিশ করে বাজারে পুনরায় বিক্রি করার প্রস্তুতিকালে খন্দকার শওকত আলী নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় মেসার্স আদর্শ চাউল ঘরের স্বত্বাধিকারী খন্দকার শওকত আলী জানান, উক্ত চাউলগুলো মেসার্স এ. কে. দাসের। তারা এই চাউল গুলো পালিশ করার জন্য আমার এই মিলে নিয়ে এসেছে, সেই চাউল পালিশ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে একে দাস এর স্বত্বাধিকারী উক্ত মিলে আসলে তার নিকট হতে সত্যতা জানতে চাইলে তিনি দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.এইচ.এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী এর নিকট সত্যতা স্বীকার করেন।
মেসার্স একে দাসের স্বত্বাধিকারী বলেন এখানে আমার মোট ১৬ বস্তা চাউল পালিশ করারার জন্য দেওয়া রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা। এ সময় এ. কে. দাসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহি অফিসার এ.এইচ.এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী জানান, একে দাস এর স্বত্বাধিকাররীকে উক্ত চাউল স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়ের উপযুক্ত প্রমান সহ কাগজপত্র উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কাছে প্রেরণ করার ও চাউল পালিশ না করার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।