
দিনাজপুর প্রতিনিধি : করোনা মহামারীর কারণে ২ বছর পর এশিয়ার বৃহত্তম ঈদুল ফিতরের জামাত দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি।
৩ মে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বড় ঈদগাহ মিনার নির্মাণের মূল রুপকার জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকি, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।
বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও দিনাজপুরে আবহাওয়া ছিল স্বাভাবিক। তাই সকাল থেকেই বড় ময়দান অভিমুখে মুসল্লিদের ঢল নামে। এরপর অনুষ্ঠিত হয় নামাজের জামাত। এই জামাতে দিনাজপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড় সহ দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকে মুসুল্লিরা অংশগ্রহণ করতে আসেন।
হুইপ ইকবালুর রহিম জানান, এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত দিনাজপুর বড় ময়দানে অনুষ্ঠিত হল। এখানে প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন। যা এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদের প্রধান জামাতকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ঈদগাহের চারপাশে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মুসলিদের তল্লাশির পর জামাতে প্রবেশ করানো হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, সাদা পোশাকধারী পুলিশ ঈদগাহ প্রাঙ্গণে দায়িত্ব পালন করেন।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে জানানো হয় আমরা এই বিপুল সংখ্যক মুসুল্লিদের জন্য ওজু খানা, টয়লেট, গাড়ি পার্কিং সহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলাম। নামাজ কোন রকম বিঘœ ছাড়াই সুষ্টভাবে সম্পন্ন হয়েয়ে।
র্যবসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরাও নিরাপত্তা তৎপর ছিলেন। মাঠের নিরাপত্তার জন্য নির্মিত হয় পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। এছাড়া ড্রোনের মাধ্যমে আকাশ পথ থেকে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
উক্ত জামাতের ইমামতি করেন বিশিষ্ট আলেম মাওলানা শামসুল ইসলাম কাসেমী ।
নামাজ শেষে এই বিশাল মুসলিম জামাতে দেশ ও জাতির তথা সমগ্র মুসলিম উম্মার মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয়।